রাজধানীর ইস্কাটনের বাসিন্দা আতিকুর রহমান। কয়েক মাস আগে রাতে বাসায় ফিরছিলেন। হাঁটাপথে মগবাজারে তাঁকে কুকুরে কামড় দেয়। পরদিন সকালে তিনি ছুটে যান মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে। নেন জলাতঙ্কের টিকা।আতিকুরের সঙ্গে কথা হচ্ছিল গত শনিবার। জানালেন, তিনি এখন সুস্থ আছে। কোনো শারীরিক জটিলতার মুখে এখন পর্যন্ত তাঁকে পড়তে হয়নি।জলাতঙ্কের শঙ্কা থেকে আতিকুর টিকা নিয়েছিলেন।
জলাতঙ্কে আক্রান্ত কুকুর, বিড়াল বা অন্য কোনো প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে।পেনিসিলিন: যে আবিষ্কার চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাল, সেটা নিয়ে কেন এখন উদ্বেগজলাতঙ্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিপদ হলো, এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রেই রোগীর মৃত্যু ঘটে। ফলে প্রতিরোধই একমাত্র উপায়।এ ক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা—টিকা।
আক্রান্ত প্রাণীর কামড়–আঁচড়ের পর দ্রুত সঠিক চিকিৎসা ও টিকা নিলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করা সম্ভব।মৃত্যুর শত বছরের বেশি সময় পর আজও পাস্তুর স্মরণীয় হয়ে আছেন তাঁর জলাতঙ্কের টিকার মাধ্যমে।
সূত্র: প্রথম আলো