রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাপের কামড়ে আহত শিক্ষার্থী নূরনবী ইসলাম আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে সর্পদংশন ইউনিটে (৫৮) স্থানান্তর করা হয়েছে।হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামীম আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার যেন অবনতি না হয়, সে জন্য গতকাল রোববার তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল।
তাঁকে তিনটি অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। তিনি এখন সম্পূর্ণ আশঙ্কামুক্ত। আগামীকাল তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।’কমন ক্রেইট বা কালাচ সাপের বিষের প্রভাব সম্পর্কে চিকিৎসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘কালাচ সাপের বিষ মূলত নিউরোটক্সিক। এ বিষ স্নায়ু থেকে পেশিতে সংকেত পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে। এতে পেশি ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে ধীরে ধীরে বিভিন্ন পেশি দুর্বল হয়ে প্যারালাইজড হতে পারে।
তখন রোগীর শ্বাসকষ্ট ও শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো গুরুতর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে আইসিইউ থেকে সর্পদংশন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো