‘সকালে কেবিনে না গিয়ে ইঞ্জিনের নিয়ন্ত্রণকক্ষের সোফায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। জাহাজটি তখন হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছিল। হঠাৎ বিকট বিস্ফোরণে পুরো জাহাজ কেঁপে ওঠে। সোফা থেকে ছিটকে পড়ে যাই। ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। কোনোমতে উঠে বাইরে আসি। চারদিকে অন্ধকার, ধোঁয়া আর পোড়া গন্ধ। নাবিকদের চিৎকার শুনতে পাচ্ছিলাম। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।
একসময় মনে হয়েছিল, হয়তো আর বাঁচব না।’ওমান উপকূলের অদূরে হরমুজ প্রণালিতে ‘এমভি কেপ দাও’ জাহাজে হামলার সেই মুহূর্তের কথা এভাবেই বলছিলেন জাহাজটির প্রধান প্রকৌশলী মো. আমান উল্লাহ। বর্তমানে ওমানের একটি হোটেলে আছেন তিনি। সেখান থেকে বার্তা আদান–প্রদানের অ্যাপ ইমোতে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন।মো. আমান উল্লাহ, প্রধান প্রকৌশলী, এমভি কেপ দাও।ভাবলাম, হয়তো আর যোগাযোগ করতে পারব না। তাই বড় ছেলে সাকিবকে অডিও বার্তা পাঠালাম।
বললাম, আমাদের জাহাজে হামলা হয়েছে, আমাদের জন্য দোয়া করতে।আমান উল্লাহ বলেন, প্রথম হামলার পর জাহাজের ইঞ্জিন ও আবাসিক অংশে ব্যাপক ক্ষতি হয়।
সূত্র: প্রথম আলো