চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্য থেকে মুক্তি। সবাই প্রত্যাশা করেছিলেন, সরকারি চাকরিতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, বরং মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। দুঃখজনক হলেও সত্যি, আগের ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী ও বর্তমান সরকারের আমলেও সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে গোয়েন্দা দিয়ে যাচাই বন্ধ হয়নি।
প্রথম আলোসহ গণমাধ্যমের খবর জানাচ্ছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও কয়েক শ জন বাদ পড়েন। আইনে না থাকলেও পুলিশের পাশাপাশি একটি গোয়েন্দা সংস্থা যাচাই প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। প্রার্থীদের সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্যের কারণে অনেক ব্যক্তি বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।দেশে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন প্রায় পৌনে চার লাখ।
এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের প্রায় ৩৬ হাজার পদ এবং সহকারী শিক্ষকের কয়েক হাজার পদ শূন্য রয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো