২০০৫ সালের ১৯ আগস্ট মইনুদ্দীন খালেদের লেখা ‘মুর্তজা বশীর: ধ্রুপদি ধ্যানের শিল্পী’ প্রকাশিত হয় প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে। এত দিন শুধু কাগজের পাতাজুড়ে থাকা লেখাটি আজ অন্য আলো অনলাইন পাঠকের সামনে তুলে ধরা হলো।তিনি প্রেরণাবাদী, তবু শক্ত কবজিতে লাগাম ধরে সৃষ্টির ধূম্রদেশে পঙ্খিরাজে উড্ডীন থেকেছেন। রেখা তার সর্পিল হলেও শিথিল হয়নি, রং তার বস্তুর সাদৃশ্যের অনুগামী নয়, জ্যামিতির নিগড় খোঁজে।
বিশ্বাসের জগতে একটা দাপাদাপি আছে। সেই দাপাদাপি ব্যাপক ভুবনজুড়ে। জগৎ-সংসারে নানা আস্থা ও অনাস্থা, বস্তুগত ও বস্তু-উত্তীর্ণ, ধরা ও অধরা, আছে ও নেই, প্রাচ্য ও পশ্চিম, মিল ও অমিল—এমন অনেক ঠিকানা আছে তাঁর, তবে একক গন্তব্য নেই। তিনি আবারও ঘুরে দেখতে চান, নিজেকে খুঁড়ে দেখতে চান আরেকটু। তিনি ‘দুরন্ত শিশু’, ফরাসিতে যাকে বলে ‘অফ তেরিবল’।
বাবা বলেছিলেন, ‘আলীগড়ে যাও।’ তিনি বলেছিলেন, ‘না, আর্ট কলেজ।’ উত্তীর্ণ-কৈশোরেই তিনি কমিউনিজমের মন্ত্রণায় দুরন্ততর হয়ে উঠেছিলেন।
সূত্র: প্রথম আলো