‘মঙ্গলে আসলে সে রকম অপরাধটপরাধ হয় না’, একটু মন খারাপের সুরেই কথাটা বলল ডিটেকটিভ ইন্সপেক্টর রাওলিংস। ‘সে জন্যই মূলত আবার ইয়ার্ডে ফিরে যাচ্ছি। এখানে বেশি দিন থাকলে গোয়েন্দাগিরি যা শিখেছি, ভুলে যাব।’ফোবোস স্পেসপোর্টের ভিউ সেন্টারে বসে আছি আমরা। ছোট্ট চাঁদটার সূর্যস্নাত উঁচু-নিচু পাহাড়গুলো পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে এখান থেকে।
মঙ্গল গ্রহ থেকে যে ফেরি রকেটটা আমাদের পৌঁছে দিয়ে গেছে এখানে, সেটা আরও ১০ মিনিট আগেই ফিরতি যাত্রা শুরু করেছে লাল মাটির গ্রহটার দিকে। আর আধা ঘণ্টার মধ্যে লাইনারে করে পৃথিবীর উদ্দেশে যাত্রা শুরু হবে আমাদের। পৃথিবী এমন একটা গ্রহ, যেখানে অধিকাংশ যাত্রীরই এই প্রথম পা পড়বে, তবু নামটা শুনলেই আপন বোধ হয়।‘তবে’, ইন্সপেক্টর বলে, ‘মাঝেসাঝে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা যে ঘটে না, তা নয়। আপনার তো চিত্রকর্ম, ভাস্কর্যের ব্যবসা, মি. ম্যাকার।
মাস দুয়েক আগের মেরিডিয়ান সিটির ঘটনাটার ব্যাপারে জানেন নিশ্চয়ই?’‘সে রকম কিছু মনে পড়ছে না,’ তামাটে চেহারার লোকটা জবাব দেয়।
সূত্র: প্রথম আলো