যুগে যুগে এই বাংলায় শাসকগোষ্ঠী বিভিন্ন বই নিষিদ্ধ করেছে। কখনো ক্ষমতা হারানোর ভয়ে, কখনো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর চাপে—সব মিলিয়ে এই অঞ্চলে বই নিষিদ্ধ হওয়ার ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। ব্রিটিশ শাসনামলে যেমন কাজী নজরুল ইসলামের বিষের বাঁশী ও ভাঙার গান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, তেমনি পাকিস্তান আমলে রবীন্দ্রসংগীত ও রবীন্দ্রনাথকে বাদ দেওয়া হয়নি।
স্বাধীনতার পরও বিভিন্ন সময়ে আমাদের লেখক-কবিদের বই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, এমনকি প্রকাশনীও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ক্ষমতায় থাকাকালে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ও অসত্য তথ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতের অভিযোগ জাতীয় সংসদে এ কে খন্দকারের লেখা বই ১৯৭১: ভেতরে বাইরে বইটি নিষিদ্ধ করার দাবি তোলা হয়।
এটি নিয়ে সেই সময় তুলকালাম হয়।চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগার থেকে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু কিংবা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা বই সরিয়ে নেওয়া হয়।
সূত্র: প্রথম আলো