সারকথাএই প্রবন্ধের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সহিংসতা ও মৃত্যুর গভীর সম্পর্ক। ইতিহাস, দর্শন, মনোবিশ্লেষণ ও উত্তর-ঔপনিবেশিক তত্ত্বের আলোকে লেখাটি দেখায়, ফ্যাসিবাদ কেবল ক্ষমতা দখল বা বিরোধীদের দমন করতে সহিংসতার আশ্রয় নেয় না; বরং সহিংসতাকে মহৎ, নৈতিক ও সৃজনশীল শক্তি হিসেবে তুলে ধরে। একইভাবে, মৃত্যুকেও জাতীয় পুনর্জন্ম, আত্মত্যাগ ও রাজনৈতিক আনুগত্যের চূড়ান্ত নিদর্শনে পরিণত করে।
প্রবন্ধটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য হলো, ফ্যাসিবাদী সহিংসতার বীজ ইউরোপীয় উপনিবেশবাদের মধ্যেই নিহিত ছিল। উপনিবেশে গড়ে ওঠা বর্ণভিত্তিক বিভাজন, মানুষকে অমানবিক করে তোলা, সামরিক নিয়ন্ত্রণ, জরুরি আইন ও বিচারবহির্ভূত দমন পরে ইউরোপে ফিরে এসে ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামোকে শক্তিশালী করে।
সোরেল, জেন্টাইলে, রেইক, আরেন্ট, ফুকো, আগামবেন ও এমবেম্বের ভাবনার সূত্র ধরে লেখাটি ব্যাখ্যা করে, কীভাবে ব্যক্তি ও জনগোষ্ঠীকে শত্রু, অমানুষ বা হত্যাযোগ্য জীবনে পরিণত করা হয়।
সূত্র: প্রথম আলো