আধুনিক বাজারে মানুষের চুল উইগ ও হেয়ার এক্সটেনশনের কাঁচামাল। চুলের দৈর্ঘ্য, ঘনত্ব ও রং অনুযায়ী এর দাম নির্ধারিত হয়। অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের দেহ কোনো বাণিজ্যিক পণ্য নয়।আল্লাহ-তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি।’ (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ৭০)এই মর্যাদা শুধু জীবিত মানুষের আত্মা ও অস্তিত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তার দেহ ও দেহের অংশের মধ্যেও এর প্রভাব রয়েছে।
এ কারণেই ইসলামে মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সাধারণ বেচাকেনার বস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি।চুল কি বিক্রয়যোগ্য ইসলামি ফিকহের প্রামাণ্য গ্রন্থগুলোয় মানুষের চুল বিক্রির ব্যাপারে সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা পাওয়া যায়।ইমাম মারগিনানি (রহ.) লিখেছেন, ‘মানুষের চুল বিক্রি করা এবং তা দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ নয়। কারণ, মানুষ সম্মানিত, তাকে অপমানিত করা যায় না।
তার কোনো অংশকে অপমানিত ও তুচ্ছ বস্তুতে পরিণত করাও বৈধ নয়।’ (আল-হিদায়া শরহু বিদায়াতিল মুবতাদি, ৫/১০৮-১০৯, ইদারাতুল কুরআন ওয়াল উলুমিল ইসলামিয়া, পাকিস্তান)সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৩৩আল্লাহ অভিশাপ করেছেন সেই নারীকে, যে চুল সংযোজন করে এবং যে তা সংযোজন করায়।ড্রপশিপিং ব্যবসা: মালিক না হয়ে পণ্য বিক্রি কি বৈধএখানে লক্ষণীয়, নিষেধাজ্ঞার কারণ শুধু চুলের পবিত্রতা বা অপবিত্রতা নয়।
সূত্র: প্রথম আলো