বিচ্ছু দম্পতি আমাদের সাথে দেখা অতি সম্প্রতি একদম বিচ্ছুটে এক দম্পতি। কে যে কার চেয়ে বড় মহাবিচ্ছু কিছুতেই বোঝা নাহি যায় কিচ্ছু। একজন মৌসুমী, আর জন অর্ক জানে ওরা বহু কিছু, আরও পারে তর্ক। যেকোনো বিষয়ে ওরা কথা বলে বেশ রাজনীতি, সংগীত, কবিতা, স্বদেশ...। আমাদের এই যে মুকুল ভাইজান অর্কর হাতে দিয়ে বাটি একখান বলে, বাটি নিয়ে কিছু বলো এইবার যেই বলা সেই কাজ, থামে না যে আর।
বাকপটু অর্কর কথা-কারুকাজে বাটিটার মোটামুটি বারোটাই বাজে আসগার ভাই বলে, থামাও তো ওকে। তা না হলে বাটিটা তো মরবেই শোকে। মৌসুমী এসে করে সারসংক্ষেপ অর্কর নাই তাতে কোনো ভ্রুক্ষেপ। মৌসুমী দেয় দামি বাক্যের ঝাড়ি সোনারুর ঠুকঠাক, কামারের বাড়ি। হাসে তারা খলখল, কী-জানি-কী মানে! নানাবিধ বিষয়ের মূল ধরে টানে। আমাদের ঘোরায় যে কোন লেয়ারে! ডান দিক দেখিয়ে যে বাম দিকে মারে।
মারে তারা সরাসরি প্রকাশ্য সড়কে লাশ পড়ে একদম ডাইরেক্ট নরকে।শুভংকরের ফাঁকিদানা খুঁটে খাচ্ছিল একঝাঁক হাঁসআখখেতে ওত পেতে ছিল বাগডাশ।হামলায় হাঁসগুলি উড়ে ওঠে ঝাঁকেবাগডাশে বাগে পেয়ে গেল একটাকে।ধানখেতে নিড়ানিতে বাবা আর ছেলেহা-হা করে ছুটে গেল কাজটাজ ফেলে।হাঁস ফেলে বাগডাশ গিয়েছে পালিয়েছেলে গিয়ে ফিরে এল হাঁসটাকে নিয়ে।উদ্ধারকাজে খুশি হলো যে সবাইভয়ার্ত হাঁসটাকে করল জবাই।যম থেকে ফেরা হাঁস মানুষেতে ফাঁসেতা-ই দেখে দেঁতো হাসি হাসে বাগডাশে।উদ্ধারে হাঁসটার হলো কোন লাভ?জীবে দয়া, মানবতা...অযথা প্র...
সূত্র: প্রথম আলো