প্রশ্নফাঁস চক্র নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে প্রথম আলো। সিআইডির উদ্ধার করা হোয়াটসঅ্যাপের অনেক বার্তায় বিসিএস, পিএসসির নন-ক্যাডারসহ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও চাকরি বিক্রির নেটওয়ার্কের তথ্য পাওয়া যায়। গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীকে সামনে দেখা গেলেও এই বাণিজ্যের মূল কারিগর ছিল পিএসসির ভেতরের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিজি প্রেসের চক্র।
এ নিয়ে গতকাল প্রকাশিত হয়েছে ট্রাংক কেটে প্রশ্নপত্র চুরি, কর্মকর্তার চেম্বারে বসে ফটোকপি, অন্তর্বাসে করে পাচার প্রতিবেদন। আজ প্রকাশিত হলো দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব।‘টাকা কোথায়? মেহমানদের লিস্ট পাঠাও। নতুন কোনো মেহমান নিয়েন না।
মিডিয়া প্রশাসন মেহমান সেজে ঝামেলা করতে পারে।’ জবাবে অপর প্রান্ত থেকে তাগিদ দিয়ে বলা হয়, ‘মেহমানদের লিস্টটা দেন, স্যার চাইতেছে।’প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্যদের হোয়াটসঅ্যাপের এই বার্তাগুলোতে যে ‘মেহমান’-এর কথা বলা হচ্ছে, তাঁরা আসলে বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার চাকরিপ্রার্থী।
সূত্র: প্রথম আলো