যেকোনো সংক্রমণ বা জ্বরে সবাই মনে করে, জ্বর কমেছে মানে রোগী সুস্থ হচ্ছে। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে এটি বিপজ্জনক ভুল ধারণা। অনেকের ক্ষেত্রে তা সত্য হলেও, ডেঙ্গু রোগীর জন্য জ্বর নামার সময়টিই হতে পারে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। এ সময় শুরু হতে পারে ক্রিটিক্যাল ফেজ, যখন প্লাজমা লিকেজ শুরু হয়।যেসব গুরুতর জটিলতা হতে পারেপ্লাজমা হলো রক্তের তরল অংশ; রক্তকোষের বাইরে যে তরল থাকে সেটাই প্লাজমা।
গুরুতর ডেঙ্গুতে শরীরের সূক্ষ্ম রক্তনালির দেয়াল সাময়িকভাবে বেশি ভেদ্য হয়ে পড়ে। ফলে রক্তনালি থেকে প্লাজমা বেরিয়ে আশপাশের টিস্যু, ফুসফুসের চারপাশ বা পেটের ভেতরে জমতে পারে। এতে রক্তসঞ্চালনে কার্যকর রক্তের পরিমাণ কমে যায় এবং রক্ত ঘন হয়ে আসে। প্লাজমা লিকেজ বেশি হলে রক্তচাপ ও টিস্যুতে রক্তপ্রবাহ কমে গিয়ে ডেঙ্গু শক হতে পারে।ডেঙ্গু শক মানে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর পর্যাপ্ত রক্ত ও অক্সিজেন না পাওয়া।
সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে কিডনি, লিভার, মস্তিষ্ক ও হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে।
সূত্র: প্রথম আলো