সম্প্রতি কুড়িগ্রামের রাজারহাটে চর খিতাবখাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন তিস্তা নদীর পাড়ে আমার আলাপ হয় আবদুল খালেক, জয়নাল আবেদীন, নওশাদ ও বেলালের সঙ্গে। তাঁরা প্রত্যেকে নদীভাঙনের শিকার। জয়নাল আবেদীনের ঘর ভেঙেছে ১৭ বার, নওশাদের পাঁচবার, বেলালের চারবার, আবদুল খালেকের দুবার।পড়ন্ত বিকেলে নদীর দিকে হাত বাড়িয়ে আবদুল খালেক দেখাচ্ছিলেন, কোথায় তাঁর বাড়ি ছিল। এখন তাঁর বাড়ি একেবারে নদীর কিনারে।
তিনি বলছিলেন, ‘হামার বারো ঘরের বাড়ি আছিল, জমি আছিল অনেক। এখন সব নদীত। ভাবছিনোং বেটাক ছোট চাকরি করবার নয়। যখন নদীত বাড়ি ভাঙি গেল, তখন বেটাক আনসারোত পাঠাইছি।’ ছেলেকে ছোট চাকরিতে দিতে চাননি তিনি। কিন্তু বাড়ি ভাঙার পর তাঁকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে পাঠাতে হয়েছে।তাঁরা প্রত্যেকে নদীভাঙনের শিকার।
জয়নাল আবেদীনের ঘর ভেঙেছে ১৭ বার, নওশাদের পাঁচবার, বেলালের চারবার, আবদুল খালেকের দুবার।আবদুল খালেকের পরিবারের এখন ১০-১২ শতক জমি অবশিষ্ট আছে।
সূত্র: প্রথম আলো