চারদিকে পাহাড়, মাঝখানে শান্ত জলধারা আর পানিতে পাহাড়ের প্রতিচ্ছবি—যেন বাস্তব পৃথিবীর কোনো পরিচিত জায়গায় নয়, ছবির ভেতর দাঁড়িয়ে আছি।
সঙ্গে অনেকে থাকায় ভয় পেলাম না। নাফাখুমে বেশিক্ষণ না থেকে আবার হাঁটা শুরু করলাম। এই পথে ফিরে আসার সময় নাফাখুম ঘুরে দেখা হবে—সবাই মিলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।জিন্নাপাড়া অভিমুখী যাত্রার ওই পর্বটা ভিন্ন রকম। ১২ জন মোট চারটি দলে ভাগ হয়ে গেলাম। প্রতিটি দলে একটা করে টর্চলাইট। সবার সামনে আছেন ট্যুর গাইড শিমিয়ান দাদা। তিনি পাহাড়ি পথের খুঁটিনাটি সবই জানেন। আমাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
আর আমরা সবাই পিঁপড়ার লাইনের মতো অনুসরণ করছিলাম। অচেনা, অন্ধকার ওই পথে যান্ত্রিক কোনো কোলাহল নেই। পাশ দিয়ে বহমান জলধারার কলকল ধ্বনি, জ্যোৎস্নার আলো এবং পাহাড় থেকে আসা বিভিন্ন রকম শব্দ সেই রাতটাকে সত্যিই বিশেষ করে তুলেছিল।মন হারিয়ে যায় অচেনা পাহাড়ি পথের আলোর দিশারি, আকাশের স্নিগ্ধ চাঁদটির প্রেমে। অনেকক্ষণ হাঁটার কারণে খুবই ক্ষুধা লেগেছিল সবার। একজনের ব্যাগে এক পোয়া মুড়ি ছাড়া কিছুই ছিল না।
চাঁদের আলোয় কোনো এক বিশাল পাথরের ওপর বসে সবাই মিলে ওই মুড়ি খেলাম।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।