ফ্লাইদুবাইয়ের ওই উড়োজাহাজের যাত্রীদের পরে সৌদি আরবে থেকে নিরাপদে ইসরায়েলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়
উড়োজাহাজের ককপিটের মেঝেতে পড়েছিলেন পাইলট স্মিত মাচ্চৌর। রক্ত গড়াচ্ছে। এই অবস্থাতেও তিনি ককপিটের দরজা খোলার সুইচ চেপে দেন। যাতে ক্রু-যাত্রীরা ককপিটে ঢুকতে পারেন। হামলাকারী পাইলটকে কাবু করতে পারেন। রক্ষা পায় উড়োজাহাজটিতে থাকা ১৭৪ জন যাত্রীর জীবন।এর কিছুক্ষণ আগেই স্মিতকে ককপিটে আরেকজন পাইলট ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করেন। ধারণা করা হচ্ছে, উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা থেকে এ হামলা করা হয়েছিল।
ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবে যাচ্ছিল।ঘটনাটি ঘটে গতকাল বুধবার। তখন উড়োজাহাজটি ওমানের আকাশসীমায় ছিল। পরে উড়োজাহাজটির দিক ঘুরিয়ে সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তাবুক শহরের বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। সেখানকার একটি হাসপাতালে এখন চিকিৎসা নিচ্ছেন স্মিত।ইসরায়েলের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ধারণা করা হচ্ছে, যাত্রীবোঝাই উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করানোই ছিল হামলাকারীর উদ্দেশ্য।
তবে স্মিতের সময়মতো ককপিটের দরজা খুলে দেওয়া এবং যাত্রী ও ক্রুদের উদ্যোগের ফলে বড় বিপর্যয় এড়ানো গেছে।এ ঘটনায় প্রশংসায় ভাসছেন স্মিতসহ সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।