advertisement
advertisement

নবীজির দৃষ্টিতে প্রকৃত বুদ্ধিমানের মানদণ্ড কী


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ
নবীজির দৃষ্টিতে প্রকৃত বুদ্ধিমানের মানদণ্ড কী

advertisement

জাগতিক মাপকাঠিতে সাধারণত বিপুল বিত্তবৈভব, ক্ষমতা, কূটনৈতিক চাতুর্য কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চ ডিগ্রির অধিকারীকে সফল ও প্রখর বুদ্ধিমান মনে করা হয়। যে ব্যক্তি পার্থিব স্বার্থ হাসিলে যত বেশি কৌশলী, সমাজ তাকে তত বেশি চতুর বা বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন বলে বাহবা দেয়।কিন্তু ইসলামি জীবনদর্শনে দূরদর্শিতা ও বুদ্ধিমত্তার সংজ্ঞা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র।

ইসলামে বুদ্ধি শুধু পার্থিব অর্জনের কোনো ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য হাতিয়ার নয়; বরং বুদ্ধি হলো সেই আধ্যাত্মিক ও নৈতিক বিবেক, যা মানুষকে ক্ষণস্থায়িত্বের মায়া কাটিয়ে চিরন্তন সত্য ও অনন্ত জীবনের প্রস্তুতিতে পরিচালিত করে।দীর্ঘ আশা ও আত্মপ্রবঞ্চনা মানুষের মনস্তাত্ত্বিক বিচ্যুতির অন্যতম প্রধান কারণ হলো ‘তুলুল আমাল’ বা অবাস্তব দীর্ঘ আশা পোষণ করা।

মানুষ প্রতিনিয়ত ভাবে, ‘আমি তো এখনো যুবক, জীবন উপভোগের কত প্রহর সামনে পড়ে আছে; পরিণত বয়সে গিয়ে তওবা করব এবং সৎপথে ফিরে আসব।’ইমাম গাজালি (রহ.)মানুষের আত্মিক ধ্বংসের মূল কারণ দুটি, একটি হলো প্রবৃত্তির দাসত্ব, অপরটি দীর্ঘ আশা; এই দীর্ঘ আশাই মানুষের অন্তর থেকে আখেরাতের ভাবনা মুছে দেয় এবং পার্থিব সম্পদে মোহগ্রস্ত করে রাখে।ইমাম গাজালি উল্লেখ করেছেন, মানুষের আত্মিক ধ্বংসের মূল কারণ দুটি, একটি হলো প্রবৃত্তির দাসত্ব, অপরটি দীর্ঘ আশা; এই দীর্ঘ আশাই মানুষের অন্তর থেকে আখেরাতের ভাবনা মুছে দেয় এবং পার্থিব সম্পদে মোহগ্রস্ত করে রাখে।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর