advertisement
advertisement

বিপরীত লিঙ্গের প্রতি নিষিদ্ধ আকর্ষণ: আত্মশুদ্ধির ৩ উপায়


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ
বিপরীত লিঙ্গের প্রতি নিষিদ্ধ আকর্ষণ: আত্মশুদ্ধির ৩ উপায়

advertisement

তারুণ্যের অন্যতম স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলো প্রবল আবেগ এবং বিপরীত লিঙ্গের প্রতি মনোদৈহিক আকর্ষণ। এই সংবেদনশীল বয়সে অনেকেই ক্ষণিক মুগ্ধতা বা তীব্র জৈবিক টানকে শাশ্বত ‘ভালোবাসা’ বলে ভুল করে বসেন।কোনো যুগল যখন ইসলামের নির্ধারিত সীমারেখা অতিক্রম করে বিবাহবহির্ভূত ঘনিষ্ঠতায় জড়িয়ে পড়ে, তখন অন্তরে জন্ম নেয় তীব্র আত্মগ্লানি ও মানসিক অস্থিরতা।

বিশেষ করে একজন বিশ্বাসী তরুণ বা তরুণীর মনে চরম নৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়—ভালোবাসার নামে এই আচরণ কি ইসলাম অনুমোদন করে?

আর যদি তা ভুল হয়ে থাকে, তবে আল্লাহর কাছে পাপমুক্তির উপায় কী?ইসলাম নারী ও পুরুষের পারস্পরিক আকর্ষণকে স্বভাবজাত বিষয় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাকে বৈধ বিয়ের মাধ্যমে পবিত্র পারিবারিক কাঠামোয় রূপ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।প্রেম বনাম জৈবিক মোহ অনেকেই সঙ্গীর নৈতিক চরিত্র, মানসিক পরিপক্বতা কিংবা দীর্ঘমেয়াদি সামঞ্জস্যের বিষয়টি বিবেচনা না করে নিছক বাহ্যিক রূপ ও শারীরিক আকর্ষণের টানে ‘প্রেম’ ভাবতে শুরু করেন।সুরা ইসরা, আয়াত: ৩২আর তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না; নিশ্চয়ই এটি এক মারাত্মক অশ্লীলতা এবং অত্যন্ত নিকৃষ্ট পথ।এটি মূলত সাময়িক আবেগপ্রবণ মোহ।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর