আসিফ সালেহ, নির্বাহী পরিচালক, ব্র্যাক।
এটা খুবই হতাশাজনক যে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীর ওপর কর বসাতে চাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এমন মানুষদের কাছ থেকে কর নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, যাঁদের গড় সঞ্চয় ১ লাখ টাকার কম। তাঁরা আবার বাণিজ্যিক আমানতকারীও নন এবং তাঁদের বেশির ভাগই গ্রামের নারী। সপ্তাহে ১০ টাকা, ২০ টাকা কিংবা ৫০ বা ১০০ টাকা করে এ সঞ্চয় তাঁরা জমিয়েছেন। কেউ মেয়ের বিয়ের জন্য, কেউবা ঘরের চাল বদলানোর জন্য।
কেউ আবার টাকা জমিয়েছেন হঠাৎ অসুখে পড়লে চিকিৎসা করার জন্য। সেই জমানো টাকা বা সঞ্চয়ের বিপরীতে সুদ তাঁদেরই প্রাপ্য। এনবিআর এখন সেই সুদের ওপর কর দাবি করছে বিগত বছরগুলোর জন্য। তা–ও অল্প সময়ের নোটিশে। বলা হচ্ছে আদায় না করতে পারলে এই কর দিতে হবে এখন ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাগুলোকে।এখন দেখা যাক সিদ্ধান্তটি কোন বাস্তবতার ওপর এসে পড়ছে।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) ২০২৫ সালের জাতীয় জরিপ আমাদের সামনে একটি রূঢ় বাস্তবতা তুলে ধরেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।