advertisement
advertisement

‘আমার জামাই, নাতিন আর পুতিও মইরা গেছে, সব হারাইছি’


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
‘আমার জামাই, নাতিন আর পুতিও মইরা গেছে, সব হারাইছি’

চার স্বজনকে হারিয়ে বিলাপ করছিলেন রহিমা বেগম (৭০)। গতকাল শুক্রবার রাতে জামালপুর সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নের দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামে

advertisement

‘আল্লাহ, আমার পুড়ি (মেয়ে) কী করে খাবো, আমি কী করে খাওয়াবো? আমার জামাই মইরা গেছে। আমার নাতিন আর পুতিও মইরা গেছে। সব হারাইছি। আমার সব শেষ গো, আল্লাহ গো।’জামাতা, বেয়াইন, নাতনি ও নাতনির ছেলেকে হারিয়ে বিলাপের সুরে কথাগুলো বলছিলেন রহিমা বেগম (৭০)। গতকাল শুক্রবার সকালে তাঁদের সবাইকে বিদায় দিয়েছেন। অথচ এর কিছুক্ষণ পরই পান সড়ক দুর্ঘটনায় সবার মৃত্যুর খবর। তখন থেকেই স্বজনেরা তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

কিন্তু কোনোভাবেই থামছিল না এই বৃদ্ধার কান্না।ময়মনসিংহে দুর্ঘটনা : মারা গেলেন এক পরিবারের চার প্রজন্মের চারজনগতকাল শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরের রহমতপুর বাইপাস সড়কের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ সাতজন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ছয়জনই জামালপুরের বাসিন্দা।ওই ছয়জনের মধ্যে একই পরিবারের চারজন।

তাঁরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন (৫৫), তাঁর মা রাশিদা বেগম (৮৫), মেয়ে মর্জিনা (২৫) ও মর্জিনার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মিনাল।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর