ছবিটি ২০২৩ সালে তোলা। তখন গাজীপুর সাফারি পার্কে ছিল তিনটি লেমুর। একটির মৃত্যু ও দুটি চুরি হয়ে গেছে
ছবিটি ২০২৩ সালে তোলা। তখন গাজীপুর সাফারি পার্কে ছিল তিনটি লেমুর। একটির মৃত্যু ও দুটি চুরি হয়ে গেছে দুর্বল ব্যবস্থাপনা, অপর্যাপ্ত নজরদারি ও অরক্ষিত সীমানাদেয়ালের সুযোগে গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে কয়েক দফায় বন্য প্রাণী পাচারের ঘটনা ঘটেছে। এবার পার্ক থেকে পাচার ঠেকাতে বন্য প্রাণীর গায়ে মাইক্রোচিপ বসাতে চায় বন বিভাগ।
এ ছাড়া পাচার হয়ে যাওয়া বন্য প্রাণী শনাক্তে সব বন্য প্রাণীর ডিএনএ প্রোফাইলিংও করতে চায় পার্ক কর্তৃপক্ষ।বন্য প্রাণীর ডিএনএ প্রোফাইলিং হলো কোনো নির্দিষ্ট প্রাণীর জেনেটিক ছাপ (জিনগত পরিচয়) সংগ্রহ করে রাখা, যাতে পরে প্রয়োজনে সেই প্রাণীটিকে বা তার সঙ্গে রক্তের সম্পর্কযুক্ত অন্য কোনো প্রাণীকে বৈজ্ঞানিকভাবে শনাক্ত করা যায়, অনেকটা মানুষের ক্ষেত্রে ফরেনসিক ডিএনএ টেস্টের মতো।মাইক্রোচিপ হলো চালের দানার আকৃতির একটি ইলেকট্রনিক চিপ, যেটাতে একটি মৌলিক নম্বর থাকে।
শনাক্তকরণ যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করলে ওই নম্বর দিয়ে প্রাণীটিকে শনাক্ত করা যায়।বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বন্য প্রাণী হারিয়ে যাওয়া বা পাচারের পর উদ্ধার করা হলে সেগুলো সাফারি পার্কের কি না, সেটা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।