advertisement
advertisement

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আন্তঃজেলা মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের হোতা গ্রেফতার


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আন্তঃজেলা মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের হোতা গ্রেফতার

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আন্তঃজেলা মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের হোতা গ্রেফতার

advertisement

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি, ধরলা পোস্ট: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের ঝটিকা অভিযানে প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৭টি অবৈধ ভারতীয় মোবাইল ফোনসহ আন্তঃজেলা চোরাকারবারি চক্রের মূলহোতা রশিদুল ইসলাম রতনকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

​মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১১টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড় এলাকায় এ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ।

​গ্রেপ্তারকৃত রশিদুল ইসলাম রতন ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মধ্য ভরতের ছড়া গ্রামের মোঃ তফিজ উদ্দিনের ছেলে।

​পুলিশ মিডিয়া সেল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তঘেঁষা বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড়ে একটি দৃশ্যমান দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় অবৈধ মাদক ও চোরাই মোবাইল কেনাবেচার অভয়ারণ্য গড়ে তুলেছিলেন রতন। ইতিপূর্বে তাকে গ্রেপ্তারে একাধিকবার পুলিশি অভিযান চালানো হলেও প্রতিবারই কৌশল অবলম্বন করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি।

​পরবর্তীতে কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, পিপিএম-এর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় এবং ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতি ও তত্ত্বাবধানে থানা পুলিশের একটি ছদ্মবেশী দল মঙ্গলবার গভীর রাতে বিএসসি মোড়ে ঘেরাও করে। রাতভর পরিচালিত এই কৌশলী অভিযানে ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ক্রয়-বিক্রয়ের সময় রতনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার হেফাজত থেকে মোট ১৭টি অবৈধ ভারতীয় স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।

​ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, “গ্রেপ্তারকৃত রতন মূলত বিএসসি মোড়ে একটি সাধারণ দোকান পরিচালনার আড়ালে চোরাই ভারতীয় ফোন ও মাদকের বড় সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন। সীমান্ত পেরিয়ে আসা এসব অবৈধ মোবাইল রতনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের বড় বড় শপিংমল ও খুচরা দোকানে ছড়িয়ে পড়ত। রতন ও তার কয়েকজন নিকট আত্মীয় মিলে এই সুসংগঠিত চক্রটি পরিচালনা করে আসছিল। আসামির বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

​এদিকে বহুদিনের চিহ্নিত চোরাকারবারি রতনের গ্রেপ্তারের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন বিএসসি মোড় ও আশেপাশের এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রতনের হাত ধরে এলাকার উঠতি বয়সী কিশোর ও যুবসমাজ দ্রুত ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ধাবিত হচ্ছিল। তাকে আইনের আওতায় আণায় এলাকায় সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর