advertisement
advertisement

যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, ৩০ লাখ টাকা ছিনতাই


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, ৩০ লাখ টাকা ছিনতাই

যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, ৩০ লাখ টাকা ছিনতাই

advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক, ধরলা পোস্ট ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাটে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বদরুল আলম (৩২) নামে এক যুবদল নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় হামলায় তার সঙ্গে থাকা সাদেক মিয়া গুরুতর আহত হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার গুরাগ্রামের সামনের সড়কে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত বদরুল আলম গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপার গ্রামের মৃত মাওলানা তজম্মুল আলীর ছেলে। তিনি রুস্তুমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বালুর ব্যবসা ও গরুর খামার পরিচালনা করতেন। আহত সাদেক মিয়াও একই গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোরে ফজরের নামাজের সময় সাদেক মিয়ার চিৎকার শুনে স্থানীয় এক বাসিন্দা এগিয়ে যান এবং তুহিন ও শাহিন নামের দুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বদরুলকে এলোপাতাড়ি কোপাতে দেখেন। বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা তাকে উপেক্ষা করে। পরে নিহতের স্বজনেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ভাই মাওলানা আখলাকুল আম্বিয়া অভিযোগ করেন, স্থানীয় মনরতল বাজার থেকে ব্যবসায়িক টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গুরাগ্রামের শাহিন, তুহিন, মামুন ও নোমানসহ বেশ কয়েকজন তার ভাইয়ের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের ব্যবহৃত টিভিএস মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে। ওসি জানান, ফজরের নামাজের সময় হামলার এই ঘটনায় একজন নিহত ও অপরজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর