advertisement
advertisement

গোয়েন্দা যুদ্ধে বিপাকে হুতিরা, হাতছাড়া হতে পারে জয়


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০০ পূর্বাহ্ণ
গোয়েন্দা যুদ্ধে বিপাকে হুতিরা, হাতছাড়া হতে পারে জয়

ইয়েমেনের আল-জাওফ এলাকায় সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর ওপর হামলার সময় গুলি ছুড়ছেন ইরান-সমর্থিত হুতি যোদ্ধারা। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

advertisement

ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় ফ্রন্টের পতন কিন্তু কেবল হুতিদের বিপুল সদস্যসংখ্যার কারণে ঘটেনি, এটি ছিল মূলত রাশিয়া ও ইরানের একটি যৌথ সামরিক কমান্ড ব্যবস্থার ফলাফল।

সেখানে রাশিয়ার মহাকাশভিত্তিক ‘জিওইন্ট’ (ভূস্থানিক গোয়েন্দা তথ্য) এবং ‘সিগইন্ট’ (সংকেত গোয়েন্দা তথ্য) ব্যবহারের সক্ষমতাকে ইরানের নেতৃত্বাধীন একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল (সি২) কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল, যা মূলত হুতিদের যুদ্ধক্ষেত্রের সিদ্ধান্তগুলোকে সহায়তা করত।এর সঙ্গে যুক্ত হয় তারিক সালেহের ‘ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেস’(এনআরএফ)-এর ভেতরে মানুষের অনুপ্রবেশ, যা সেই পুরো প্রযুক্তিগত তথ্যকে যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব সুবিধায় পরিণত করার সুযোগ তৈরি করে দেয়।ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের সময় আমার তৈরি করা জিওইন্ট ও সিগইন্ট মেলবন্ধন প্রযুক্তি ‘প্রজেক্ট অরোরা’-র মাধ্যমে আমি সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, ইরাক, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং জর্ডানের ওপর রাশিয়ান সামরিক নজরদারি পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করেছিলাম।হুতি–সৌদি যুদ্ধে কেন মিসর জড়িয়ে পড়ছেএই প্রকল্পের একটি বিশেষ অংশ (এসএপি) পুরো রাশিয়ান স্যাটেলাইট নজরদারিকে একটি একক বহুমুখী ব্যবস্থা হিসেবে উন্মোচন করেছিল।

এখান থেকেই বেরিয়ে এসেছিল, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যেসব নির্ভুল হামলা চালিয়েছিল, সেগুলোর পেছনে কীভাবে রাশিয়ার এই নজরদারি কাজ করেছিল।আমার এই গবেষণাই পরবর্তী সময় মধ্যপ্রাচ্যে ইরা...

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর