সুপ্রাচীনকাল থেকে বিশ্বরাজনীতির রঙ্গমঞ্চ শাসন করে আসছিল দুই মহাশক্তি—রোমান বাইজেন্টাইন ও পারস্যের সাসানিয়া সাম্রাজ্য। এর মধ্যে আধুনিক ইরান, ইরাক ও মধ্য এশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডজুড়ে বিস্তৃত সাসানীয় সাম্রাজ্য ছিল চার শতাব্দীর এক অপরাজেয় সামরিক ও সাংস্কৃতিক পরাশক্তি।পারস্য সাম্রাজ্যের এই ঐতিহাসিক পতন ছিল এক দীর্ঘ সামরিক ও মনস্তাত্ত্বিক অভিযানের পরিণতি।
খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাবের আমলে সংঘটিত দুটি যুদ্ধ ইতিহাসের গতিপথ চিরতরে বদলে দিয়েছিল—প্রথমটি ইরাকের মাটিতে সংঘটিত ‘কাদিসিয়ার যুদ্ধ’; আর দ্বিতীয়টি ইরানের পাহাড়ি প্রান্তরের ‘নাহাওয়ান্দ’।কাদিসিয়ার প্রান্তরে মুখোমুখিখলিফা আবু বকর (রা.)-এর সময় শুরু হওয়া ইরাক অভিযানের ধারাবাহিকতায় মুসলিমরা যখন মেসোপটেমিয়ার উর্বর সমভূমিতে একের পর এক বিজয় অর্জন করতে শুরু করেন, তখন সাসানিয়া রাজদরবার বুঝতে পেরেছিল যে এটি কোনো সাধারণ সীমান্ত সংঘর্ষ নয়।পারস্যের রাজ দরবারে সাহাবি রিবয়ি ইবনে আমির (রা.)আল্লাহই আমাদের পাঠিয়েছেন মানুষকে মানুষের দাসত্ব থেকে বের করে এক আল্লাহর দাসত্বে ফিরিয়ে আনতে, দুনিয়ার সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত করে পরকালের প্রশস্ততার দিকে আহ্বান জানাতে এবং প্রচলিত ধর্মগুলোর শোষণ ও অবিচার থেকে ইসলামের ন্যায়বিচারের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় দিতে।অস্তিত্বের সংকট আঁচ করতে পেরে পারস্যের তরুণ সম্রাট তৃতীয় ইয়াজদেগার্দ সাম্রাজ্যের সবচেয়ে প্রবীণ ও ঝানু সেনাপতি রুস্তমের নেতৃত্বে...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।