advertisement
advertisement

কুড়িগ্রামে পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামে পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

advertisement
 ধরলা পোস্ট ডেস্ক :

কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্য, অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, সরকারি বাসাভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল কর্তনের উদ্যোগ এবং সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও মনগড়া বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুন কুড়িগ্রাম মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা শাহিনা খাতুন ও প্রতিমা রানী সরকারকে সরকারি পরিত্যক্ত বাসায় বসবাস না করায় বেতন থেকে বাসাভাড়া কর্তনসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা প্রতিমা রানী সরকারের অভিযোগ, তাঁকে গালিগালাজ করার পাশাপাশি তাঁর স্বামী ও সন্তানকে নিয়েও কথা বলা হয়। অন্যদিকে শাহিনা খাতুনের দাবি, উপপরিচালকের লিখে দেওয়া একটি স্বীকারোক্তিমূলক কাগজ তাঁকে দিয়ে হুবহু লেখানো হয় এবং এ সময় তাঁর ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২০২৩ সালে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হক ও তৎকালীন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোদাব্বের হোসেন সরকারি কোয়ার্টারগুলো বসবাসের অনুপযোগী উল্লেখ করে প্রত্যয়নপত্র দিয়েছিলেন। এরপরও ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ের বাসাভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল কর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

এ ছাড়া কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ, বিভিন্ন কর্মস্থল পরিদর্শনে গিয়ে উপপরিচালক মোজাম্মেল হক অধস্তনদের ভয়ভীতি দেখান। তাঁদের দাবি, চাহিদামতো সুবিধা না দিলে দূরবর্তী স্থানে বদলির হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি আর্থিক সুবিধা বা উপঢৌকনের বিনিময়ে পছন্দের কর্মস্থলে বদলির সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

উপপরিচালকের বিরুদ্ধে প্রেষণে কর্মরত কর্মচারী মো. মাহবুবুর রহমান মীমকে দিয়ে বদলি ও নিয়োগসংক্রান্ত ফাইলসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা এবং সরকারি বিদ্যুৎ ও গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগও করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোজাম্মেল হক বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া।

অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে সরকারি বাসার বসবাসযোগ্যতা-সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র, বেতন থেকে অর্থ কর্তনের আদেশ, বদলিসংক্রান্ত নথি এবং সরকারি গাড়ির লগবুক পরীক্ষা করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের ফলাফল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর