advertisement
advertisement

সৈকত সুরক্ষায় বালিয়াড়িভিত্তিক ব্যবস্থাপনা কেন জরুরি


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
সৈকত সুরক্ষায় বালিয়াড়িভিত্তিক ব্যবস্থাপনা কেন জরুরি

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ভাঙন দিন দিন বাড়ছে। ১০ সেপ্টেম্বর সৈকতের লাবণী পয়েন্ট

advertisement

সৈকতভাঙন রোধের প্রাকৃতিক শক্তি লুকিয়ে আছে উপকূলের প্রকৃতি ও লোকায়ত সংস্কৃতির শিকড়েই। সমুদ্রসৈকত সুরক্ষায় ডেইল আর দরিয়ার (সমুদ্রের) এই জটিল সম্পর্কের রসায়ন নিয়ে লিখেছেন পাভেল পার্থনিদারুণভাবে ভেঙে যাচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন বালুকাময় সমুদ্রসৈকত। কক্সবাজারের ক্যাংপাড়াতে কয়েক শ বছরের প্রাচীন একটি বটগাছ আছে, গাছের তলায় রাখাইনদের গ্রামদেবী রোও-শামার পবিত্রথান।

কলেরা-বসন্ত-করোনা মহামারি, ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস, রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বিতিকিচ্ছি পর্যটনের জীবন্ত সাক্ষী হয়ে আছেন টেকপাড়ার প্রবীণ রাখাইন নারী উন খাঁই। সমুদ্রসৈকত ভাঙনকে তিনি মানুষের অপরিণাম লোভের কুফল হিসেবে দেখেন। জার্নাল অব সি রিসার্চ–এ প্রকাশিত এক গবেষণায় ১৯৮৯ থেকে ২০২৪ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে রশিদ ও অন্যরা (২০২৫) দেখান, কক্সবাজারের ১ হাজার ৮৫ হেক্টর ভূমি ইতিমধ্যে সাগরে বিলীন হয়েছে।

চলতি বছরের আগস্টের শেষ সপ্তাহে কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে ইনানী পর্যন্ত সরেজমিন পর্যবেক্ষণে সৈকতে ২০টির বেশি ভাঙন এলাকা দেখতে পাই।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর