advertisement
advertisement

নদীপারের অসমাপ্ত গল্প


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
নদীপারের অসমাপ্ত গল্প

ছবি: এআই/বন্ধুসভা

advertisement

হিজলা উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে বয়ে গেছে মেঘনার একটি শাখা নদী। দূর থেকে দেখে শান্ত মনে হলেও কাছে গেলে বোঝা যায়, নদীটি আসলে শান্ত নয়, ভীষণ অস্থির। এখানে সারা দিন নৌকা চলে, জেলেরা জাল ফেলে, বালুবাহী ড্রেজারগুলো বুকফাটা আর্তনাদে ছুটে বেড়ায়।সন্ধ্যায় আকাশের রং নদীর ঘোলা জলে মিশে যায়। সকাল হলে আবার গর্জে ওঠে। এই নদীর একটা স্বভাব আছে—সে যেমন দেয়, তেমনি নিয়েও নেয়।নদীর পাড় ঘেঁষে ছিল সেলিনাদের ছোট্ট টিনের ঘর।

মাটির উঠান, দুটো নারকেলগাছ, একটা আমড়াগাছ আর পেছনে বাঁশঝাড়। বাবা নদীতে মাছ ধরে সংসার চালাত। ঘরে অভাব ছিল, সুখও ছিল।সেলিনার পড়াশোনা বেশি দূর এগোয়নি। তবে হাতের কাজে ছিল অসাধারণ দক্ষতা। নকশিকাঁথা, পাটের ছিকা, রুমালে ফুল তোলা—সব কাজেই সে পারদর্শী ছিল। তার তৈরি আমড়ার আচার আর নারুর সুনাম ছিল এলাকাজুড়ে।গাঁয়ের উত্তর পাড়ায় ছিল ফিরোজদের বাড়ি। বয়সে সেলিনার সমান। নদীতে মাছ ধরা কিংবা অন্যের জমিতে কাজ করা ছিল তার পেশা।

সুযোগ পেলেই সেলিনাদের বাড়ির আশপাশে ঘুরঘুর করা ছিল নেশা।প্রথম প্রথম ফিরোজকে দেখে সেলিনা বিরক্ত হতো।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর