জ্ঞান কখনোই শুধু ব্যক্তির সম্পদ নয়; এটি সভ্যতারও চরিত্র। মানুষ যেমন জানে, তেমনি সভ্যতাও জানে। ব্যক্তি দুনিয়াটাকে কেমন করে বোঝে, অনেক সময় তার নির্ধারক হয় এই সওয়াল যে লোকটি কোন সভ্যতার ভাষা, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান, ইতিহাস ও নৈতিক কল্পনার মধ্যে বেড়ে উঠেছে?ফলে জ্ঞানকে সেরেফ ব্যক্তিগত আকলি কর্মকাণ্ড হিসেবে ব্যাখ্যা করলে তার বৃহত্তর সামাজিক ও ঐতিহাসিক বুনিয়াদ গরহাজির থেকে যায়।
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা তাই জ্ঞানের একটি সভ্যতাগত মাত্রা খাড়া করে।কারণ, কোনো সভ্যতা শুধু প্রযুক্তি, স্থাপত্য কিংবা অর্থনীতির ওসিলায় আলাদা হয় না; তার সবচেয়ে আসলি পার্থক্য নিহিত থাকে সে পৃথিবীকে কীভাবে পড়ে এবং সেই পাঠের ভিত্তিতে মানুষের অবস্থান কীভাবে নির্ধারণ করে।ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার নজরে প্রত্যেক সভ্যতার কেন্দ্রে একটি মৌলিক জ্ঞানরীতি কার্যকর থাকে।
এই জ্ঞানরীতিই নির্ধারণ করে, মানুষ প্রকৃতিকে কী নামে ডাকবে, ইতিহাসকে কী অর্থ দেবে, রাষ্ট্রের গরজ কী হবে, অর্থনীতির সরহদ কতটুকু এবং মানুষের সাফল্যের সংজ্ঞা কী।প্রকৃতি তখন মানুষের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, আবার মানুষের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন দৌলতও নয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।