বহু সাধারণ মুসলিমের মনে প্রায়শই দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা দেয় যে আল্লাহর কাছে নিভৃতে ফরিয়াদ করার জন্য কি আরবি জানা বাধ্যতামূলক? যে ব্যক্তি আরবি ভাষার অর্থ বোঝে না, সে যদি মুখস্থ কিছু আরবি শব্দ উচ্চারণ করে, তবে কি তার অন্তরের আসল আকুতি প্রকাশ পায়?মাতৃভাষায় নিজের ব্যথা, অশ্রু ও অনুভূতি প্রকাশ করে আল্লাহর কাছে চাইলে কি সেই দোয়া কবুল হবে?
আবার নামাজের ভেতর রুকু, সিজদা বা শেষ বৈঠকে মাতৃভাষায় দোয়া করার ফিকহি সীমারেখাই–বা কী?মানুষের ভাষার বৈচিত্র্য স্বয়ং আল্লাহর অন্যতম বড় কুদরতি নিদর্শন।
তিনি ঘোষণা করেন, “আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে অন্যতম হলো আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য; নিশ্চয়ই এতে জ্ঞানীদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।” (সুরা রুম, আয়াত: ২২)নামাজ ও সাধারণ দোয়ার পার্থক্য এই মাসআলাটি সঠিকভাবে বোঝার মূল চাবিকাঠি হলো ‘নামাজ’ এবং ‘সাধারণ দোয়া’র পার্থক্য স্পষ্ট করা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।