advertisement
advertisement

হোটেলে ৯-১০ জনকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ, জ্ঞান ফেরার পর বিয়ের কথা জানতে পারেন রনি


ধরলা পোস্ট | প্রতিবেদক: DharlaPost প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
হোটেলে ৯-১০ জনকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ, জ্ঞান ফেরার পর বিয়ের কথা জানতে পারেন রনি

ছবি সংগৃহীত

advertisement

ধরলা পোস্ট ডেস্ক:

সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় নিজের বক্তব্যের পক্ষে ২০২৫ সালে নিউমার্কেট থানায় করা একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) এবং তালাকনামার কপি প্রকাশ করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব নথি প্রকাশ করেন রনি। সেখানে ২০২২ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের একটি হোটেলে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

জিডিতে রনির দাবি, ওই দিন কাজের প্রয়োজনে চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসনে অবস্থানকালে ফারজানা আফরোজ তার মা, সন্তান এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৯-১০ জনকে নিয়ে তার কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ছবি তোলার ঘটনা পর্যন্ত তার মনে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পরবর্তী সময়ে জ্ঞান ফিরে তিনি জানতে পারেন, ফারজানা তাকে জানিয়েছেন যে তাদের বিয়ে হয়েছে এবং কলমা-কাবিনের মাধ্যমে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি হতবাক হয়ে কৌশলে হোটেল ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন বলে জিডিতে উল্লেখ করেন।

রনির অভিযোগ, এরপর বিভিন্ন সময়ে ফারজানা তাকে চাপ ও হুমকি দিতে থাকেন। ২০২৩ সালের রমজান মাসে ওই নারী তার সন্তানদের নিয়ে সাভারের অরুণাপল্লীতে রনির নির্মাণাধীন বাড়িতে ওঠেন এবং প্রতিবেশীদের কাছে নিজেকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। একপর্যায়ে বাড়িটি লিখে দেওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জিডির তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রনি ওই নারীকে বাড়ি ছেড়ে দিতে এবং বিয়ের কাবিননামা দেখাতে বলেন। পরে ফারজানা বাড়ি ছেড়ে গেলেও দেনমোহর বাবদ ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। সামাজিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে তিনি ওই অর্থ পরিশোধ করেন বলে দাবি করেন রনি।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের ২৮ জুন নিজের অফিসে ফারজানার সঙ্গে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা নেন বলেও জিডিতে উল্লেখ করেছেন তিনি। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কাবিননামার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রনি। তার দাবি, নথিতে ফারজানার বৈবাহিক অবস্থা এবং তার নিজের দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

রনি আরও জানান, আইনজীবীদের পরামর্শে কথিত বিয়ের ভিত্তিতে তালাকের নোটিশ পাঠানো হয়। তালাক কার্যকর ও নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর দেনমোহরের দাবিকৃত ১০ লাখ টাকাও পরিশোধ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর ফারজানা আফরোজ গোলাম মাওলা রনির সঙ্গে বিয়ের একটি কাবিননামা প্রকাশ করেন। সেখানে ২০২২ সালের ১৩ মে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে রনি ওই নারীকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করে আসছেন। অন্যদিকে ফারজানার দাবি, তাদের বিয়ে হয়েছিল এবং রনির শাশুড়িও কয়েক মাস তার সঙ্গে ছিলেন।
advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর